Find the Questions you Need

📘 LLB Preliminary Preparation MCQ Test

📘 LLB Preliminary Preparation MCQ Test

Criminal Law, Contract Law, Tort সহ সকল বিষয়ের শতাধিক MCQ প্রশ্ন নিয়ে প্রস্তুতির জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি অনলাইন কুইজ অ্যাপ!

🔗 শেয়ার করুন

Facebook Twitter WhatsApp

বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন: ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন: ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন: ৫০টি প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কবে প্রণীত হয়?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
প্রশ্ন ২: বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে?
উত্তর: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
প্রশ্ন ৩: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কী উল্লেখ আছে?
উত্তর: গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ।
প্রশ্ন ৪: সংবিধানের সর্বোচ্চ আইন কোনটি?
উত্তর: বাংলাদেশ সংবিধানই দেশের সর্বোচ্চ আইন।
প্রশ্ন ৫: সংবিধানের মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
উত্তর: মূলত ১৫৩টি অনুচ্ছেদ (পরবর্তীতে পরিবর্তিত)।
প্রশ্ন ৬: সংবিধানের কয়টি অংশ আছে?
উত্তর: মোট ১১টি অংশ।
প্রশ্ন ৭: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে নিযুক্ত করেন?
উত্তর: জাতীয় সংসদ রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে।
প্রশ্ন ৮: প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ কে দেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন ৯ : বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৯৪।
প্রশ্ন ১০: মৌলিক অধিকার কোন কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
উত্তর: ২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত।
প্রশ্ন ১১: সংবিধানের সংশোধন কিভাবে হয়?
উত্তর: সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে।
প্রশ্ন ১২: জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা কার?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন ১৩: ১ম সংশোধন কবে হয়?
উত্তর: ১৯৭৩ সালে।
প্রশ্ন ১৪: ধর্মীয় স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা হয়েছে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৪১।
প্রশ্ন ১৫: নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত ধারা কোনটি?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ১১৮।
প্রশ্ন ১৬: বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা কোনটি?
উত্তর: বাংলা (অনুচ্ছেদ ৩)।
প্রশ্ন ১৭: জাতীয় সংসদ সংক্রান্ত ধারা কোনটি?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে ৯৩।
প্রশ্ন ১৮: গরিকের ন্যায়বিচারের অধিকার কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ২৭।
প্রশ্ন ১৯: নির্বাহী বিভাগের প্রধান কে?
উত্তর: প্রধানমন্ত্রী।
প্রশ্ন ২০: স্বাধীনতার ঘোষণা কবে হয়?
উত্তর: ২৬ মার্চ ১৯৭১।
প্রশ্ন ২১: সংবিধান প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: জনগণের মৌলিক অধিকার ও শাসন কাঠামো নির্ধারণ।
প্রশ্ন ২২: বিচারপতি নিয়োগ কোথায় বলা আছে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৯৫।
প্রশ্ন ২৩: জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: সংবিধানে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই, তবে রাষ্ট্রপতির আদেশে নির্ধারিত।
প্রশ্ন ২৪: সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনের তাৎপর্য কী?
উত্তর: সামরিক শাসনকে বৈধতা প্রদান।
প্রশ্ন ২৫: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কোন ধরণের রাষ্ট্র?
উত্তর: একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।
প্রশ্ন ২৬: সংবিধানের নবম সংশোধনী কী?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন।
প্রশ্ন ২৭: হাইকোর্ট বিভাগ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ১০০-১০২।
প্রশ্ন ২৮: সুপ্রিম কোর্টের গঠন কীভাবে?
উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
প্রশ্ন ২৯: ষ্ট্রপতির পদত্যাগ পদ্ধতি কী?
উত্তর: স্বাক্ষরিত পত্র স্পিকারের নিকট জমা দিয়ে।
প্রশ্ন ৩০: আইন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী?
উত্তর: আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগ সমন্বয়।
প্রশ্ন ৩১: সরকার পরিচালনায় মূল ভিত্তি কী?
উত্তর: সংবিধান।
প্রশ্ন ৩২: জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোথায় উল্লেখ আছে?
উত্তর: টি সংবিধানে নয়, আলাদা আইনে প্রতিষ্ঠিত।
প্রশ্ন ৩৩: সংবিধানে কয়টি তফসিল আছে?
উত্তর: লত ৭টি তফসিল।
প্রশ্ন ৩৪: তফসিল ১-এ কী বলা হয়েছে?
উত্তর: বাংলাদেশের মানচিত্র ও সীমানা।
প্রশ্ন ৩৫: সংবিধানের প্রস্তাবনায় “আমরা জনগণ” কথার অর্থ কী?
উত্তর: জনগণের কর্তৃত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।
প্রশ্ন ৩৬: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ কী?
উত্তর: গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ।
প্রশ্ন ৩৭: মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার কোথায় চাওয়া যায়?
উত্তর: হাইকোর্টে রিট মামলা করে।
প্রশ্ন ৩৮: জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা কত?
উত্তর: ৩০০টি নির্বাচিত + ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন।
প্রশ্ন ৩৯: বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা কী?
উত্তর: সংসদীয় গণতন্ত্র।
প্রশ্ন ৪০: ধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ দেন?
উত্তর: রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন ৪১: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কী?
উত্তর: সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা।
প্রশ্ন ৪২: সাভার গণভবন কোথায়?
উত্তর: রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন নয়, রাজনৈতিক সভার স্থান।
প্রশ্ন ৪৩: আইনের শাসনের অর্থ কী?
উত্তর: সকল নাগরিক ও রাষ্ট্র আইনমান্য।
প্রশ্ন ৪৪: সংবিধান সংশোধন সর্বশেষ কবে হয়েছে?
উত্তর: ১৭তম সংশোধনী ২০১৮ সালে।
প্রশ্ন ৪৫: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা কার অধীন?
উত্তর: রাষ্ট্রের।
প্রশ্ন ৪৬: আইনগত সমতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: অনুচ্ছেদ ২৭।
প্রশ্ন ৪৭: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কোথায় বলা
উত্তর: অনুচ্ছেদ ৩৯।
প্রশ্ন ৪৮: দারিদ্র্য বিমোচন কীভাবে নিশ্চিত?
উত্তর: রাষ্ট্রীয় নীতিমালার মাধ্যমে (চতুর্থ অংশ)।
প্রশ্ন ৪৯: রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব কী?
উত্তর: জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
প্রশ্ন ৫০: সংবিধানের মূল দর্শন কী?
উত্তর: জনগণের ক্ষমতা ও শাসনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।
© 2025 LLB Question Bank BD. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

হিন্দু ঐতিহ্য ও প্রথাগত আইন: প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে বিস্তারিত আলোচনা

হিন্দু আইন প্রশ্নোত্তর (২০০+)

হিন্দু আইন প্রশ্ন ও উত্তর (২০০+)

অধ্যায় ১: হিন্দু আইনের মৌলিক ধারণা

প্রশ্ন 1: হিন্দু আইন কী?
হিন্দু আইন হলো সেইসব ধর্মীয় এবং আইনি নিয়মাবলি যা হিন্দুদের ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রযোজ্য।
প্রশ্ন 2: হিন্দু আইন কোথা থেকে উদ্ভূত?
ধর্মশাস্ত্র, স্মৃতি, উপনিষদ ও শাস্ত্র থেকে।
প্রশ্ন 3: হিন্দু আইন প্রযোজ্য হয় কার উপর?
হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধদের উপর।
প্রশ্ন 4: হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস কী?
সংবিধান, বিচারব্যবস্থা এবং প্রণীত আইন।
প্রশ্ন 5: 'ধর্মশাস্ত্র' কাকে বলে?
ধর্ম ও আচরণ সম্পর্কিত গ্রন্থসমূহ।
প্রশ্ন 6: স্মৃতি কী?
মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি ইত্যাদি যেখানে সামাজিক নিয়মাবলি সংকলিত।
প্রশ্ন 7: হিন্দু আইন কবে থেকে প্রণীত আইন হিসেবে বিবেচিত?
১৯৫৫ সালের পর থেকে।
প্রশ্ন 8: হিন্দু আইন কাদের দ্বারা প্রভাবিত?
ব্রিটিশ আইন, ধর্মশাস্ত্র এবং বিচারপতিদের সিদ্ধান্ত।
প্রশ্ন 9: হিন্দু আইন কি রাষ্ট্রীয় আইন?
এটি ব্যক্তিগত আইন, তবে সরকার কর্তৃক পরিচালিত।
প্রশ্ন 10: হিন্দু আইন কোথায় প্রযোজ্য নয়?
মুসলিম, খ্রিস্টান ও পার্সিদের ওপর।

অধ্যায় ২: হিন্দু ব্যক্তিগত আইন এর উৎস

প্রশ্ন 1: দুই প্রকার – প্রাচীন উৎস ও আধুনিক উৎস।
শ্রুতি, স্মৃতি, আচার, এবং স্বীকৃত ধর্মাচরণ।
প্রশ্ন 2: ঈশ্বরপ্রদত্ত জ্ঞান যা ঋষিরা শ্রবণ করেছিলেন – যেমন বেদ।
মনু, যাজ্ঞবল্ক্য, নারদ প্রমুখ স্মৃতিকার রচিত ধর্মগ্রন্থ।
প্রশ্ন 3: আইন প্রণয়ন, বিচারব্যবস্থা, প্রথা ও সিদ্ধান্ত।
Privy Council এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত।
প্রশ্ন 4: Hindu Marriage Act, Hindu Succession Act ইত্যাদি।
হ্যাঁ, যদি তা দীর্ঘদিন ধরে চলমান ও যুক্তিসঙ্গত হয়।
প্রশ্ন 5: ব্রিটিশ বিচারকরা হিন্দু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত দিতে শুরু করেন।
বর্তমানে এটি প্রধানত প্রণীত আইনের দ্বারা পরিচালিত।

অধ্যায় ৩: হিন্দু বিবাহ আইন

প্রশ্ন 1: হিন্দু বিবাহ আইন কবে প্রণীত হয়?
১৯৫৫ সালে।
প্রশ্ন 2: হিন্দু বিবাহের প্রধান শর্ত কী কী?
স্বেচ্ছায় সম্মতি, বয়সসীমা, পারস্পরিক সম্মতি।
প্রশ্ন 3: বিবাহ বাতিল করার কারণ কী কী?
প্রাপ্তবয়স্কতা না থাকা, জোরপূর্বক বিবাহ, সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা না থাকা।
প্রশ্ন 4: বিবাহ রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক কি?
না, তবে রেজিস্ট্রেশন সুবিধাজনক।
প্রশ্ন 5: বিবাহ বিচ্ছেদ কীভাবে সম্ভব?
সমঝোতা বা আদালতের মাধ্যমে।

অধ্যায় ৪: হিন্দু সম্পত্তি আইন

প্রশ্ন 1: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন কী?
সম্পত্তির উত্তরাধিকার নির্ধারণের বিধি।
প্রশ্ন 2: হিন্দু মহিলা সম্পত্তি অধিকার পায় কি?
হ্যাঁ, ২০০৫ সালের সংশোধনের মাধ্যমে।
প্রশ্ন 3: সম্পত্তি ভাগাভাগির নিয়ম কী?
বৈবাহিক সম্পর্ক ও রীতিনীতি অনুসারে।
প্রশ্ন 4: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তির অধিকার কেমন?
সমান অধিকার মূলত স্বামী ও স্ত্রীর পৃথক সম্পত্তিতে নির্ভর করে।
প্রশ্ন 5: সন্তানের উত্তরাধিকার কেমন?
সন্তানরা সমান অংশে উত্তরাধিকার পায়।

অধ্যায় ৫: হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন কবে প্রণীত?
১৯৫৬ সালে।
প্রশ্ন ২: বিধবা পুনর্বিবাহের শর্ত কী?
পুর্ব বিবাহবিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া।
প্রশ্ন ৩: বিধবা পুনর্বিবাহের অধিকার কি?
বিধবা পুনর্বিবাহের অধিকার সংরক্ষিত।
প্রশ্ন ৪: পুনর্বিবাহে কি সম্পত্তির অধিকার প্রভাবিত হয়?
না, পুর্বের সম্পত্তির অধিকার রক্ষিত।
প্রশ্ন ৫: বিধবা পুনর্বিবাহে সামাজিক বাধা কি রয়েছে?
কিছু সামাজিক প্রথা বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অধ্যায় ৬: হিন্দু পিতৃত্ব আইন

প্রশ্ন ১: পিতৃত্ব আইন কী?
সন্তানের পিতার আইনি স্বীকৃতি।
প্রশ্ন ২: পিতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি?
বৈবাহিক সম্পর্ক, স্বীকৃতি ও আদালতের সিদ্ধান্ত।
প্রশ্ন ৩: বৈধ সন্তান ও অবৈধ সন্তানের পার্থক্য?
বৈধ সন্তান বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে, অবৈধ সন্তান অন্যথা।

অধ্যায় ৯: হিন্দু বিবাহ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু বিবাহ আইন কী?
হিন্দু বিবাহ সংক্রান্ত আইন যা ১৯৫৫ সালে প্রণীত।
প্রশ্ন ২: বিবাহের বৈধতার শর্ত কী কী?
উভয়ের সম্মতি, বয়স, আত্মীয়তার সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৩: হিন্দু বিবাহে বয়সসীমা কত?
পুরুষের জন্য ২১ বছর এবং মহিলার জন্য ১৮ বছর।
প্রশ্ন ৪: হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ কী কী?
ব্যভিচার, নিষ্ঠুরতা, পরিত্যাগ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৫: বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন কোথায় করতে হয়?
সম্পর্কিত পারিবারিক আদালতে আবেদন করতে হয়।

অধ্যায় ১০: হিন্দু সপুরুষ অধিকার

প্রশ্ন ১: সপুরুষ অধিকার কী?
স্বামীর সম্পত্তি ও পারিবারিক দায়িত্বের আইনি অধিকার।
প্রশ্ন ২: স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর অধিকার কী?
উত্তরাধিকার, পেনশন, এবং ভরণপোষণের অধিকার।
প্রশ্ন ৩: স্বামীর সম্পত্তি বন্টনে স্ত্রীর স্থান কী?
আইন অনুসারে অংশীদার হিসেবে অধিকার প্রাপ্ত।
প্রশ্ন ৪: সপুরুষ কর্তৃক গৃহস্থালির দায়িত্ব কী?
পরিবারের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা করা।
প্রশ্ন ৫: সপুরুষের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
অব্যবহারের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা করা যায়।

অধ্যায় ১১: হিন্দু কন্যাদান আইন

প্রশ্ন ১: কন্যাদান আইন কী?
কন্যাদের অধিকার রক্ষা ও আইনগত সুরক্ষা প্রদান।
প্রশ্ন ২: কন্যাদের সম্পত্তিতে অধিকার কত?
পুরুষদের সমান অংশীদারিত্বের অধিকার।
প্রশ্ন ৩: কন্যাদান প্রথা কী?
কন্যাকে বিবাহ বা দানের মাধ্যমে প্রদান।
প্রশ্ন ৪: কন্যাদের শিক্ষার অধিকার কী?
শিক্ষা গ্রহণে সমান অধিকার প্রাপ্ত।
প্রশ্ন ৫: কন্যাদের বিরুদ্ধে কোন বৈষম্য আইনত বেআইনি?
হ্যাঁ, জাতিগত ও ধর্মীয় ভিত্তিতে বৈষম্য বেআইনি।

অধ্যায় ১২: হিন্দু প্রতিপক্ষ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু প্রতিপক্ষ আইন কী?
বৈবাহিক ও পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির আইন।
প্রশ্ন ২: কোন পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়?
সালিশ, মধ্যস্থতা ও আদালত পদ্ধতি।
প্রশ্ন ৩: হিন্দু আইনে প্রতিপক্ষ মামলা করতে পারেন?
হ্যাঁ, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে।
প্রশ্ন ৪: প্রতিপক্ষ মামলার সময়সীমা কত?
আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে।
প্রশ্ন ৫: আদালত ছাড়াও অন্য বিকল্প আছে?
হ্যাঁ, সালিশ ও মধ্যস্থতা।
প্রশ্ন ৬: প্রতিপক্ষ মামলার জন্য কি আবেদন করতে হয়?
হ্যাঁ, পারিবারিক আদালতে আবেদন করতে হয়।
প্রশ্ন ৭: বিরোধ নিষ্পত্তিতে ধৈর্যের ভূমিকা?
ধৈর্য ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান সহজ হয়।
প্রশ্ন ৮: কোন ক্ষেত্রে আদালত সিদ্ধান্ত দেয়?
বিরোধ নিষ্পত্তিতে পারিবারিক সালিশ ব্যর্থ হলে।
প্রশ্ন ৯: বিরোধ নিষ্পত্তি আইন কবে প্রণীত?
১৯৫৫ সালে হিন্দু প্রতিপক্ষ আইন প্রণীত।
প্রশ্ন ১০: বিরোধ নিষ্পত্তি কি বাধ্যতামূলক?
না, তবে প্রচলিত ও উৎসাহিত।

অধ্যায় ১৩: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন কী?
হিন্দু ব্যক্তিদের সম্পত্তি বণ্টনের আইন।
প্রশ্ন ২: উত্তরাধিকারীদের শ্রেণীবিভাগ কী?
স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, পিতামাতা ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৩: স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তিতে অধিকার পায় কীভাবে?
বিবাহিত অবস্থায় নির্দিষ্ট শর্তে অধিকার পায়।
প্রশ্ন ৪: উত্তরাধিকার আইন কবে প্রণীত?
১৯৫৬ সালে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন প্রণীত।
প্রশ্ন ৫: কন্যাদের উত্তরাধিকার অধিকার কী?
পুরুষদের সমান সম্পত্তি পাওয়ার অধিকার।
প্রশ্ন ৬: সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হয়?
সমানভাবে ভাগ করা হয়, আইন অনুযায়ী।
প্রশ্ন ৭: পিতা-মাতার সম্পত্তিতে সন্তানের অধিকার কী?
উত্তরাধিকার আইন অনুসারে অধিকার পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৮: উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় কি?
কোনো আইনগত কারণ ব্যতিরেকে না।
প্রশ্ন ৯: উত্তরাধিকার মামলায় আদালতের ভূমিকা কী?
বৈধ উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করা।
প্রশ্ন ১০: হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের প্রধান লক্ষ্য কী?
পরিবারের সম্পত্তি ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।

অধ্যায় ১৪: হিন্দু গৃহস্থালী আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু গৃহস্থালী আইন কী?
পরিবার ও গৃহস্থালীর নিয়মাবলী ও দায়িত্ব।
প্রশ্ন ২: গৃহস্থালীর প্রধান দায়িত্ব কী?
পরিবারের সুষ্ঠু পরিচালনা ও সুরক্ষা।
প্রশ্ন ৩: স্ত্রীর গৃহস্থালী অধিকার কী?
পারিবারিক সম্পত্তি ও সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ।
প্রশ্ন ৪: স্বামীর গৃহস্থালী দায়িত্ব কী?
পরিবারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা করা।
প্রশ্ন ৫: শিশুদের অধিকার কী?
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
প্রশ্ন ৬: গৃহস্থালী বিবাদের সমাধান কীভাবে হয়?
আলোচনা, সালিশ বা আদালতের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৭: গৃহস্থালী আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য কী?
পারিবারিক শান্তি ও কল্যাণ বজায় রাখা।
প্রশ্ন ৮: গৃহস্থালী আইন কোথায় প্রযোজ্য?
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে।
প্রশ্ন ৯: গৃহস্থালী দায়িত্বে কোন সদস্যেরা যুক্ত?
স্বামী, স্ত্রী, সন্তান ও অন্যান্য পরিবারের সদস্য।
প্রশ্ন ১০: গৃহস্থালী আইনে কোনো অপরাধ কি আছে?
না, এটি সাধারণত বিধি ও দায়িত্বের নিয়ম।

অধ্যায় ১৫: হিন্দু বিবাহবিচ্ছেদ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু বিবাহবিচ্ছেদ আইন কী?
হিন্দুদের বিবাহবিচ্ছেদের শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণকারী আইন।
প্রশ্ন ২: কোন কোন কারণে বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করা যায়?
অবিচার, পরকীয়া, নির্যাতন, পরিত্যাগ ইত্যাদি কারণে।
প্রশ্ন ৩: বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কোন আদালতে আবেদন করতে হয়?
পারিবারিক আদালত বা সংশ্লিষ্ট আদালতে।
প্রশ্ন ৪: বিবাহবিচ্ছেদ কত সময়ে সম্পন্ন হয়?
বিভিন্ন মামলার উপর নির্ভর করে কয়েক মাস থেকে বছর পর্যন্ত।
প্রশ্ন ৫: বিবাহবিচ্ছেদের পর সম্পত্তি ভাগ কীভাবে হয়?
আইনের নিয়ম অনুযায়ী সমান বা ন্যায়সঙ্গত ভাগ হয়।
প্রশ্ন ৬: সন্তানদের опека বা লালন-পালনে আদালতের ভূমিকা কী?
সন্তানদের সর্বোত্তম স্বার্থে আদালত সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রশ্ন ৭: কি কারণে বিবাহবিচ্ছেদ বাতিল হতে পারে?
মিথ্যা তথ্য বা অনৈতিক পদ্ধতি প্রমাণিত হলে।
প্রশ্ন ৮: বিবাহবিচ্ছেদ আইনে গোপনীয়তা বজায় থাকে কি?
হ্যাঁ, মামলার বিবরণ গোপন রাখা হয়।
প্রশ্ন ৯: বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনরায় বিবাহ সম্ভব কি?
হ্যাঁ, আইনের শর্ত পূরণে সম্ভব।
প্রশ্ন ১০: হিন্দু বিবাহবিচ্ছেদ আইনের সংশোধন কবে হয়েছিল?
বিভিন্ন সময়ে সংশোধন হয়েছে, প্রধান সংশোধন ১৯৫৬ সালে।

অধ্যায় ১৬: হিন্দু গার্ডিয়ানশিপ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু গার্ডিয়ানশিপ আইন কী?
সন্তানদের লালন-পালনের জন্য গার্ডিয়ানের নিয়মাবলী।
প্রশ্ন ২: গার্ডিয়ান নির্বাচন কিভাবে হয়?
বিচারক বা অভিভাবকরা আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন।
প্রশ্ন ৩: গার্ডিয়ানের অধিকার কী কী?
সন্তানের দেখাশোনা, সম্পত্তি পরিচালনা ও শিক্ষার দায়িত্ব।
প্রশ্ন ৪: গার্ডিয়ানশিপ কবে প্রযোজ্য হয়?
সন্তানরা অবিবাহিত এবং ন্যূনতম বয়সের অধীনে থাকলে।
প্রশ্ন ৫: গার্ডিয়ান পরিবর্তন সম্ভব কি?
হ্যাঁ, সন্তানের মঙ্গলের জন্য আদালত পরিবর্তন করতে পারে।
প্রশ্ন ৬: গার্ডিয়ানশিপের সময়সীমা কত?
সাধারণত সন্তানের পূর্ণবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত।
প্রশ্ন ৭: গার্ডিয়ানের কর্তব্য কী?
সন্তানের সব দায়িত্ব পালন করা।
প্রশ্ন ৮: গার্ডিয়ানশিপ মামলায় কাকে আবেদন করতে হয়?
পারিবারিক আদালত বা সংশ্লিষ্ট আদালত।
প্রশ্ন ৯: গার্ডিয়ানশিপ কাকে প্রদান করা হয়?
সাধারণত মা, বাবা অথবা বিশ্বস্ত অভিভাবক।
প্রশ্ন ১০: গার্ডিয়ানশিপ আইন সংশোধন হয়েছে কি?
হ্যাঁ, সময়ে সময়ে সংশোধন হয়েছে।

অধ্যায় ১৭: হিন্দু পুনর্বিবাহ আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু পুনর্বিবাহ আইন কী?
বিবাহবিচ্ছেদের পর পুনরায় বিবাহের নিয়মাবলী।
প্রশ্ন ২: পুনর্বিবাহের শর্ত কী কী?
আইনগত বাধ্যতামূলক শর্ত পূরণ করতে হয়।
প্রশ্ন ৩: বিবাহবিচ্ছেদের পর কতদিন পরে পুনর্বিবাহ করতে পারবে?
আইনের শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয়।
প্রশ্ন ৪: পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে সম্পত্তি কেমন হয়?
নতুন বিবাহের সঙ্গে সম্পত্তির অধিকার পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: পুনর্বিবাহে সন্তানদের অধিকার কী?
নতুন পরিবারের সন্তানদের আইনি অধিকার স্বীকৃত।
প্রশ্ন ৬: পুনর্বিবাহের পর বৈবাহিক সম্পর্ক কেমন হয়?
আইনগতভাবে বৈধ বিবাহ হিসেবে স্বীকৃত।
প্রশ্ন ৭: পুনর্বিবাহে কাকে বাধা দেয়?
আইনগত শর্ত না পূরণ করলে বাধা দেয়।
প্রশ্ন ৮: পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে সামাজিক বাধা কি আছে?
কিছু সামাজিক বাধা থাকলেও আইন অনুমোদন দেয়।
প্রশ্ন ৯: পুনর্বিবাহের জন্য আদালতের অনুমতি লাগে কি?
সাধারণত না, তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন ১০: হিন্দু পুনর্বিবাহ আইন কখন প্রণীত হয়েছিল?
১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইন সংশোধনের সময়।

অধ্যায় ১৮: হিন্দু সম্পত্তি আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু সম্পত্তি আইন কী?
হিন্দু ব্যক্তিদের সম্পত্তির অধিকার ও বন্টনের নিয়মাবলী।
প্রশ্ন ২: সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিভাবে প্রাপ্ত হয়?
আইনের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সন্তানেরা ও উত্তরাধিকারীরা পায়।
প্রশ্ন ৩: হিন্দু সহভাগী সম্পত্তি কী?
একটি পরিবারে সদস্যদের সম্মিলিত অধিকারভুক্ত সম্পত্তি।
প্রশ্ন ৪: মেয়েদের সম্পত্তি পাওয়ার অধিকার আছে কি?
হ্যাঁ, হিন্দু মহিলাদেরও আইন অনুযায়ী অধিকার রয়েছে।
প্রশ্ন ৫: দলিত সম্পত্তি কি?
পরিবারের ঐতিহ্যগত ভাগাভাগির সম্পত্তি।
প্রশ্ন ৬: সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে কি?
আইনগত নিয়ম মেনে সদস্যরা বিক্রি করতে পারে।
প্রশ্ন ৭: স্বামী বা স্ত্রীর সম্পত্তিতে অধিকার থাকে কি?
আইনের শর্ত অনুযায়ী কিছু অধিকার থাকে।
প্রশ্ন ৮: হিন্দু সম্পত্তি আইনে পরিবর্তন কখন হয়েছিল?
বিভিন্ন সময়ে সংশোধন ও উন্নতি ঘটেছে।
প্রশ্ন ৯: সম্পত্তি বিরোধ কিভাবে সমাধান হয়?
আদালত বা সালিশি পদ্ধতিতে।
প্রশ্ন ১০: সম্পত্তি হস্তান্তর করার নিয়ম কী?
আইন ও চুক্তির ভিত্তিতে সম্পত্তি হস্তান্তর হয়।

অধ্যায় ১৯: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন কী?
হিন্দুদের সম্পত্তি উত্তরাধিকার পাওয়ার নিয়মাবলী।
প্রশ্ন ২: উত্তরাধিকারী কারা হতে পারে?
স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, পিতা-মাতা ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৩: হিন্দু উত্তরাধিকার আইন কবে প্রণীত হয়েছিল?
১৯৫৬ সালে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন।
প্রশ্ন ৪: উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারে কি?
কিছু শর্ত পূরণ না হলে হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ কিভাবে হয়?
সমান ভিত্তিতে ভাগ করা হয়।
প্রশ্ন ৬: স্ত্রীর অধিকার কত?
আইনের নির্ধারিত অংশ।
প্রশ্ন ৭: পিতার সম্পত্তিতে সন্তানদের অধিকার কী?
আইন অনুযায়ী স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী।
প্রশ্ন ৮: হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে কোনো ব্যতিক্রম আছে কি?
কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে আইন আলাদা হতে পারে।
প্রশ্ন ৯: উত্তরাধিকার আইন সংশোধিত হয়েছে কি?
হ্যাঁ, সময়ে সময়ে সংশোধিত হয়েছে।
প্রশ্ন ১০: আদালতের মাধ্যমে উত্তরাধিকার বিতর্ক সমাধান হয় কি?
হ্যাঁ, আদালত সিদ্ধান্ত দেয়।

অধ্যায় ২০: হিন্দু বিধবা অধিকার আইন

প্রশ্ন ১: হিন্দু বিধবা অধিকার আইন কী?
বিধবা নারীদের আইনি অধিকার নির্ধারণ করে।
প্রশ্ন ২: বিধবার কোন কোন অধিকার আছে?
সম্পত্তি, পেনশন, বিবাহ পুনরায় করার অধিকার।
প্রশ্ন ৩: বিধবার সম্পত্তি অধিকার কত?
আইনের নির্ধারিত অংশের অধিকার থাকে।
প্রশ্ন ৪: বিধবা পুনরায় বিবাহ করতে পারে কি?
হ্যাঁ, আইনের শর্ত পূরণে পারে।
প্রশ্ন ৫: বিধবা কি পরিবারের সম্পত্তিতে অধিকারী?
হ্যাঁ, নির্দিষ্ট শর্তে অধিকারী।
প্রশ্ন ৬: বিধবার পেনশনের অধিকার কেমন?
কোনো সরকারি বা চাকরির ক্ষেত্রে নির্ধারিত।
প্রশ্ন ৭: বিধবার সামাজিক নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত?
আইন ও সমাজের বিভিন্ন ব্যবস্থা।
প্রশ্ন ৮: বিধবার অধিকার লঙ্ঘিত হলে করণীয়?
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
প্রশ্ন ৯: বিধবা কী কর্পোরেট সম্পত্তির অধিকার পেতে পারে?
নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে পারে।
প্রশ্ন ১০: বিধবার অধিকার আইন কখন প্রণীত হয়েছিল?
বিভিন্ন সময়ে সংশোধনসহ প্রণীত।

LLB Preliminary Quiz - প্রশ্ন ব্যাংক

বাংলাদেশের LLB প্রিলিমিনারি কুইজ (৫০ প্রশ্ন)

বাংলাদেশের LLB প্রিলিমিনারি কুইজ

সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সমূহ কি কি? Constitutional Law of Bangladesh

Constitutional Law of Bangladesh- বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন

বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬(১) উপ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা:
১. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. তার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।


বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬(২) উপ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের অযোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা:
১. তিনি যদি বাংলাদেশে এর নাগরিক না হন।
২. তার বয়স ২৫ এর কম হয়।
৩. তিনি যদি কোন আদালত কর্তৃক এই পদে নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষিত হয়ে থাকেন।
৪. তিনি যদি ঋণ খেলাপী হন।
৫. তিনি যদি বিল খেলাপী হন।
৬. যদি তিনি সরকারের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
৭. তিনি যদি দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায়মুক্তি সনদ গ্রহণ না করে থাকেন।
৮. তিনি যদি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধের জন্য দন্ডিত হয়ে থানে এবং দন্ড ভোগ করার পর যদি ৫ বছর অতিক্রান্ত না হয়ে থাকে তবে তিনি অযোগ্য।
৯. তিনি যদি বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ করে থাকেন।
১০. তিনি যদি পাগল বা অপ্রকৃতিস্থ হয়ে থাকেন।

একজন সংসদ সদস্যের আসন কিভাবে শূন্য হয়? Constitutional Law of Bangladesh

Constitutional Law of Bangladesh- বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন

একজন সংসদ সদস্যের আসন কিভাবে শূন্য হয় সংবিধানের ৬৭ সং অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে বর্ণনা দেয়া আছে।
১. তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন।
২. তিনি যদি বিদেশে নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
৩. তিনি যদি পাগল হন।
৪. তিনি যদি একাধিক্রমে ৯০ (নব্বই) দিন সংসদে অনুপস্থি থাকেন।
৫. তিনি যদি একাধিক আসনে নির্বাচিত হয়ে ১টি আসন রেখে অন্যান্য আসনগুলো ত্যাগ না করেন তবে সবগুলো আসন বাতিল হবে।
৬. কোন উপযুক্ত আদালত যদি তাকে অযোগ্য বলে গণ্য করে।
৭. তিনি যদি রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন।
৮. তিনি যদি সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে শপথ নিতে ব্যর্থ হয়। শর্ত থাকে যে, তিনি সংসদের স্পিকারের অনুমতি নিয়ে সময় বাড়ানো যেতে পারে।


Labour Law Question শ্রম আইন কোন কোন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?

শ্রম আইন যেসকল প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না তা নিচে আলোচনা করা হল-
১। সরকারের অধিনস্ত কোন অফিস
২। সিকিউরিটি প্রিন্টিংপ্রেস
৩। সমরাস্ত্র কারখানা
৪। অসুস্থ্য, অক্ষম, বৃদ্ধ, দুঃস্থ, প্রতিবদ্ধি, পরিতাক্তা, শিশু, বিধবা, চিকিৎসা সেবার জন্য পরিচালিত কিন্তু মুনাফা বা লাভের লক্ষ্যে পরিচালিক নহে এরূপ প্রতিষ্ঠান।
৫। দোকান-পাট বা স্টল যাহাতে খুচরা বেচা-কেনা হয়।
৬। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান
৭। মুনাফা লাভের জন্য পরিচালিত নহে এমন মেছ বা ছাত্রাবাস।
৮। সরকারের পরিচালনা অথচ মালিকানাধীন কোন দোকান বা শিল্প।
৯। রেল বিভাগ
১০। ডাক, তার ও টেলিফোন বিভাগ
১১। সড়ক ও জনপথ বিভাগ
১২। গণপূর্ত বিভাগ
১৩। গণ স্বাস্থ্য প্রকৌশল
১৪ বাংলাদেশ সরকারী মদ্রণালয়
১৫। কোন নাবিক
১৬। সমুদ্রগামী কোন জাহাজ
১৭। এমন কোন কৃষি খামার যেখানে সাধারণতঃ ১০ জনের কম শ্রমিক কাজ করে।
১৮। গৃহ পরিচালক।

LLB Preliminary Syllabus


Bangladeshi All Law College

All Law College of Bangladesh

SLColleges NameDistrict
1Bogura Law CollegeBogra
2Patuakhli Law CollegePatuakhali
3Pirojpur Law CollegePirojpur
4Bagerhat Law CollegeBagerhat
5Bangabandhu Law CollegeChittagong
6Bangabandhu Law College, ComillaComilla
7Bangabandhu Law College, DhakaDhaka
8Bangabandhu Law College, MadaripurMadaripur
9Bangladesh Law CollegeDhaka
10Barisal Law CollegeBarisal
11Brahmanbaria Law CollegeBrahmanbaria
12Capital Law CollegeDhaka
13Central Law College, KhulnaKhulna
14Central Law CollegeDhaka
15Central Law College, RajshahiRajshahi
16Chandpur Law CollegeChandpur
17Chittagong Law CollegeChittagong
18City Law CollegeKhulna
19City Law CollegeDhaka
20Comilla Law CollegeComilla
21Cox’ s Bazar Law CollegeCox’s Bazar
22Dawan Eldritch Law CollegeDhaka
23Demra Law CollegeDhaka
24Dhaka Law CollegeDhaka
25Dhanmondi Law CollegeDhaka
26Dinajpur Law College, DinajpurDinajpur
27Fani Law CollegeFeni
28Faridpur Law CollegeFaridpur
29Fatama Law CollegeDhaka
30Gaibandha Law CollegeGaibandha
31Gazipur Law CollegeGazipur
32Green Vew Law CollegeDhaka
33Hasham Shurjo Soceity Law CollegeBarguna
34Ideal Law CollegeDhaka
35International Law CollegeDhaka
36Jamapur Law CollegeJamalpur
37Jan e Alom Law CollegeDhaka
38Joypurhat Law CollegeJoypurhat
39Khagrachhari Law CollegeKhagrachhari
40khandokar Nurul Hossan Law AcadamyManikganj
41Kurigram Law CollegeKurigram
42KushtiaKushtia
43Lalmonirhat Law CollegeLalmonirhat
44Leepur Law CollegeLakshmipur
45Libarti Law CollegeDhaka
46Magura Law CollegeMagura
47Metropoliton Law CollegeSylhet
48Metropoliton Law CollegeDhaka
49Mirpur Law CollegeDhaka
50Mohammadpur Law CollegeDhaka
51Mohanagor Law CollegeDhaka
52Munshiganj Law CollegeMunshiganj
53Mymensingh Law CollegeMymensingh
54Naogaon Law CollegeNaogaon
55Narayanganj Law CollegeNarayanganj
56Narsingdi Law CollegeNarsingdi
57National Law CollegeGopalganj
58Nawabgonj Law CollegeChapainawabganj
59Netrakona Law CollegeNetrakona
60New Era Law CollegeDhaka
61Noakhali Law CollegeNoakhali
62Rajshahi Law CollegeRajshahi
63Rangamati Law CollegeRangamati
64Rangpur Law CollegeRangpur
65Rupnagor Law CollegeDhaka
66Satkhira Law CollegeSatkhira
67Shohid Amin uddin Law CollegePabna
68Shohid Jiaur Rahman Law CollegeJhenaidah
69Shohid Moshiur Rahman Law CollegeKhulna
70Sirajganj Law CollegeSirajganj
71Sylhet Law CollegeSylhet
72Tangail Law CollegeTangail
73Thakurgaon Law CollegeThakurgaon


ইসলামী আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর?

ইসলামী আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ নিম্নে ইসলামী আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো-  

১। আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত সংবিধানঃ ইসলামী আইন মহা আল্লাহ কর্তৃক মানুষের প্রতি প্রেরিত সংবিধান, যা মানুষের আর্থিব ও অপার্থিব জগতের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে।

২। আল্লাহর নির্দেশ ও মহানবীর আদর্শ বাস্তবায়নঃ মানুষের রাষ্ট্রীয় সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সমস্ত কর্মকান্ডে আল্রাহর নির্দেশকে ও মহানবীর আদর্শকে বাস্তবায়ন করাই ইসলামী আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য বলে অভিহিত করা হয়।

৩। ঈমান ও বিশ্বাসঃ ঈমান ও বিশ্বাসই হল ইসলামী আইনের অনন্য বৈশিষ্ট্য।

৪। ধর্ম নির্ভরশীল ও নৈতিকতা ভিত্তিকঃ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের আইন ধর্মের প্রতি উদাসীন। কিন্তু েইসলামী আইন সেক্ষেত্রে ধর্ম নির্ভরশীল এবং নৈতিকতাভিত্তিক বলে আখ্যায়িত।

৫। পরিবর্তনশীলতার প্রশ্নেঃ মুসলিম ব্যবহারতত্ত্ব পরিবর্তনীয় নহে। কারণ একমাত্র আল্লাহর এর প্রণেতা অন্যান্য আইন যেমন পরিবর্তন করে যুগোপযোগী করা হয় তেমনি যুগের পরিবর্তনের ফলে মুসলিম আইনের ব্যাখ্যা পরিবর্ধনের মাধ্যমে আইনবিদগণ জন-জীবনে এর প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।

৬। পার্থিব ও পারলৌকিক কল্যাণসাধনঃ ইসলামী আইনের আকেটি বৈশিষ্ট্য হল এই যে, এই আইন মানুষের পার্থিব মঙ্গলের সাথে সাথে মানুষের পারলৌকিক কল্যাণের নিমিত্তে আল্লাহর আনুগত স্বাকার করে।

৭। কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশাবলী পালনঃ ইসলামী আইন কোরআন ও সুন্নাহর নির্দেশাবলী পালনে মানুষকে বাধ্য করে।

৮। কোরআন মোতাবেক জীবন যাপনঃ ইসলামী আইন শরিয়ত ভিত্তিক বিধায় এই আইন কোরআন মোতাবেক জীবন যাপন করতে নির্দেশ দেয়।

৯। ইহকাল ও পরকালের শাস্তি বিধানঃ এছাড়া, ইহকাল ও পরকালের শান্তি-শৃংখলা বিধান করাই মুসলিম আইনের অনন্য বৈশিষ্ট্য।

১০। পূর্ণ জীবন বিধানঃ সুমলিম বা ইসলামী আইনকে পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য একটি পূর্ণ জীবন বিধি হিসাবে অভিহিত করা হয়।

১১। দোজখের শাস্তি ও বেহেস্তের পুরস্কারঃ এই আইনে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত শাস্তি বা পুরস্কারের বিধান ছাড়াও শেষ বিচারের আল্লাহ কর্তৃক দোজখের শাস্তি ও বেহেস্তের পুরস্কারের বিধান রয়েছে- যা অন্যান্য আইন হতে এক স্বতত্ব বৈশিষ্ট্য দান করেছে।

১২। গোপন অপরাধের প্রবণতা কমানোঃ এছাড়া ইসলামী আইনের  আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল যে, এই আইন সমাজে লোকচক্ষুর অন্তরালে সংঘটিত গোপন অপরাধের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে এবং সৎ কাজ করতে উৎসাহ দান করে।

১৩। কোরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী হবেনাঃ ইসলামী আইনে কোরআন এবং সুন্নাহর বিপরীতে কোন আইন প্রণয়নের অনুমোদন নাই।

১৪। স্বয়ং সম্পূর্ণ আইনঃ সর্বোপরি, ইসলামী ব্যবহারতত্ব বা আইনবিজ্ঞান হল একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সুন্দর ও বিকশিত আইন, যার তুলনায় অন্যান্য পার্থিব আইন অসম্পূর্ণ ও মুসলিম আইনের মুখাপেক্ষী।

ইসলামী আইন কাকে বলে? What is Islamic Law?

ইসলামী মতানুসারে আইন হল কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের উপর প্রতিষ্ঠিত বিধানাবলী যার মাধ্যমে একজন মুসলমান তার সামগ্রিক কার্যাবলী পরিচালনা করে।

ইসলামী মতানুসারে আইন কোন নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডের সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কর্তৃক গৃহীত আইন নয়। ইহা মূলতঃ পবিত্র কোরআনে আল্লাহর হুকুম সমূহ ‘ইলমা ইল ইয়াকিন’ এর মহানবীর নির্দেশিত পথ। তবে এই আইনকে কোন দেশের আইন হিসাবে গ্রহণ করতে বাধা নেই। স্যার আবদুর রহিমের মতে আইন হলো একজন মুসলমানের সর্ব ব্যাপারে ধর্ম কিংবা নৈতিকতাবোধ যা স্বয়ং আল্লাহর নিকট হতে প্রাপ্ত।

আইনবিজ্ঞানী কুলসন মুসলিম আইনের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, মহান আল্লাহতায়ালার ঐশী ইচ্ছার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রকাশই হল মুসলিম বা ইসলামী আইন।এই সকল আইনসমূহ মুসলিম সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইসলামী রাষ্ট্রের দিক-নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।